Home
বাংলাদেশে মৃত গণতন্ত্র এবং বিজয় স্বৈরাচারি অসভ্যতার PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 20 May 2018 00:24

যে অসভ্যতা স্বৈরাচারে

স্বৈরাচার কোন কালেই দেশ শাসনের সভ্য রীতি ছিল না। ধর্মের নামে কোটি কোটি মানুষের জীবনে মুর্তিপূজা, শাপপূজা, গরুপূজা, লিঙ্গ পূজার ন্যায় সনাতন অপধর্ম ও অসভ্যতা যেমন এখনো বেঁচে আছে, তেমনি বহুদেশে প্রকট ভাবে বেঁচে আছে স্বৈরাচারের নগ্ন অসভ্যতাও। বাংলাদেশ তেমনি এক স্বৈরাচার কবলিত দেশ। কদর্য অসভ্যতার প্রকাশ শুধু পোষাক-পরিচ্ছদ, শিক্ষা-সংস্কৃতি, ধর্মপালন ও যৌন জীবনে থাকে না, থাকে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও। বস্তুত রাজনীতির অঙ্গণে সে আদিম অসভ্যতাটি হলো স্বৈরাচার। অন্যান্য অসভ্যতার তুলনায় স্বৈরাচারি অসভ্যতার নাশকতাটি ভয়াবহ ও ব্যাপক। পতিতালয়ের অসভ্যতা বাইরের অন্যদের সভ্য রূপে বেড়ে উঠার অধিকারকে কেড়ে নেয় না। কিন্তু স্বৈরাচারের অসভ্যতায় নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও রাজনৈতীক মতবাদ নিয়ে বেড়ে উঠার স্বাধীনতাই শুধু বিলুপ্ত হয় না, কেড়ে নেয়া হয় প্রতিপক্ষের প্রাণে বাঁচার স্বাধীনতা টুকুও। তখন রাষ্ট্র ও জনগণের ভাগ্য নির্ধারণের সবটুকু ক্ষেত্র জুড়ে প্রতিষ্ঠা পায় একমাত্র স্বৈরশাসকের দখলদারি। সে অধিকৃত ভূমিতে অন্য কারো স্থান না দেয়াই স্বৈরাচারের রীতি। স্বৈরশাসকের জন্য সে স্থানটি নিরাপদ করতেই অন্যদের নির্মূল করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। স্বৈরাচারি অসভ্যতার ফসল তাই একদলীয় শাসন, গণহত্যা,গণনির্যাতন ও গণনির্মূল।

Last Updated on Sunday, 20 May 2018 00:35
Read more...
 
বাংলাদেশে ভোট-ডাকাতদের নাশকতা ও জনগণের দায়বদ্ধতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 06 May 2018 13:09

চোর-ডাকাতেরাও যখন নেতা হয়!

প্রতি সমাজে যেমন ভাল মানুষ থাকে, তেমনি ভয়ানক চোর-ডাকাতও থাকে। তেমনি সত্য ধর্মমত যেমন থাকে, তেমনি মিথ্যা অপধর্মও থাকে। তাই শুধু বিষাক্ত কীট ও হিংস্র জন্তু-জানোয়ারদের চিনলে চলে না, সমাজের চোর-ডাকাতদেরও চিনতে হয়। থাকতে হয় মিথ্যা থেকে সত্যকে চেনার সামর্থ্য। মহান আল্লাহতায়ালা শুধু নামায-রোযা দেখেন না। দেখেন ঈমানদারের সে সামর্থ্যটিও। সে সামর্থ্যের মধ্যেই প্রকাশ পায় ব্যক্তির সত্যিকারের ঈমান, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা। সে সামর্থ্যটি না থাকলে দুনিয়ার জীবনে সত্যের পক্ষ নেয়া যেমন অসম্ভব, তেমনি অসম্ভব হলো আখেরাতে জান্নাতের ধারে-কাছে যাওয়া। এরাই যুগে যুগে স্বৈরাচারি দুর্বৃত্তদের সকল কুকর্মের সেপাহি হয়। হজ-যাকাত এবং সারা জীবন নামায-রোযা আদায় সত্ত্বেও যারা ইসলামের শত্রুপক্ষের বিজয়ে ভোট দেয়, অর্থ দেয় ও যুদ্ধ করে পরকালে তাদের জন্য যে কতবড় বিপক্ষ অপেক্ষা করছে সেটি বুঝা কি এতই কঠিন। এটি তো মিথ্যার মাঝে সত্যকে চেনার ভয়ানক সামর্থ্যহীনতা। অথচ সে সামর্থ্যটুকু থাকার কারণে এমন অনেকেই জান্নাতে স্থান পাবে যারা জীবনে এক ওয়াক্ত নামায বা এক দিন রোযা আদায়ের সুযোগও পাননি। ফিরাউনের দরবারে হযরত মূসা (আঃ)র সাথে প্রতিদ্বন্দিতা দিতে এসে যে কয়েক জন যাদুকর মূসা (আঃ)র রবের উপর ঈমান এনে শহীদ হয়েছিলেন –তাদের উপর যে মহান আল্লাহতায়ালা কতটা খুশি হয়েছেন সেটি তো পবিত্র কোরআনে বার বার ঘোষিত হয়েছে। সত্যের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে তাঁরা ছিলেন নির্ভীক; প্রস্তুত ছিলেন প্রাণ দেয়ার জন্য। যাদের প্রস্তুতিটি জান্নাতের জন্য তাদের কোরবানি তো এরূপ হওয়াই স্বাভাবিক। মানব ইতিহাসের অতি শিক্ষণীয় সে অবিস্মরণীয় ঘটনাটির রিপোটিং করেছেন মহান আল্লাহতায়ালা খোদ নিজে এবং চিরস্থায়ী করেছেন পবিত্র কোরআনে –যাতে মানুষ যুগ যুগ তা থেকে শিক্ষা নিতে পারে।

Last Updated on Sunday, 06 May 2018 16:05
Read more...
 
বাংলাদেশে হিন্দু সংস্কৃতির জোয়ারঃ বাঙালী মুসলিম কি ভেসেই যাবে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 16 April 2018 05:21

বর্ষবরণের নামে পূজা

পূজা মন্ডপ এখন আর মন্দিরে নয়, ঢাকার রাজপথে নেমে এসেছে। নানা রংয়ের নানা জীব-জন্তুর মুর্তি মাথায় নিয়ে যারা মিছিলে নেমেছে তারাও কোন মন্দিরের হিন্দু পুরোহিত  বা হিন্দু পূজারি নয়। তারা নিজেদের পরিচয় দেয় মুসলিম রূপে। এ চিত্রটি এখন আর শুধু ঢাকা শহরের নয়, সরকারি খরচে সেটিই সারা বাংলাদেশ জুড়ে হচ্ছে। কথা হলো, এতে কি কোন মুসলিম খুশি হতে পারে? যার মনে সামান্যতম ঈমান অবশিষ্ঠ আছে তার অন্তরে তো এ নিয়ে বেদনাসিক্ত ক্রন্দন উঠতে বাধ্য। কারণ, এ তো কোন সুস্থ্য সংস্কৃতি নয়। নির্দোষ কোন উৎসবও নয়। এটি তো মহান আল্লাহতায়ালার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের উৎসব। এটি তো সিরাতুল মুস্তাকীম ছেড়ে জাহান্নামের পথে চলা অসংখ্য মানুষের ঢল। এটি তো পৌত্তলিকদের পূজা মন্ডপ রাজপথে নামানোর মহা-উৎসব। এ উৎসব তো শয়তানের বিজয়ের। এবং সেটি মুসলিমদের রাজস্বের পয়সা। আরো পরিতাপের বিষয়, ইসলামের সংস্কৃতি ও অনুশাসনের বিরুদ্বে এ উদ্ধত শয়তানী বিদ্রোহের পাহারাদারে পরিণত হয়েছে দেশের পুলিশ ও প্রশাসন।

Read more...
 
অশিক্ষা ও কুশিক্ষার নাশকতা (ষষ্ঠ পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 30 April 2018 00:32

অজ্ঞতা ইসলামের এজেন্ডা ও অবদান নিয়ে

শিক্ষাঙ্গণে মুসলিমদের ব্যর্থতা স্রেফ বিজ্ঞানের জ্ঞানে নয়, প্রচণ্ড ব্যর্থতা ইসলামের মূল এজেন্ডা ও মানব কল্যাণে মুসলিমদের শ্রেষ্ঠ অবদানগুলি জানাতেও। এ অজ্ঞতার জন্ম মুর্খদের বস্তিতে নয়, বরং মুসলিম দেশগুলির স্কুল, কলেজ, ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। বিস্ময়ের বিষয়, মুসলিম বিশ্ব জুড়ে কয়েক লক্ষ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় সত্ত্বেও সে অজ্ঞতা দূর না হয়ে বরং দিন দিন গভীরতর হচ্ছে। এরই ফলে নবীজী (সাঃ)র যুগের ইসলাম অপরিচিত শুধু অমুসলিমদের কাছে নয়, অপরিচিত রয়ে গেছে খোদ মুসলিমদের কাছেও। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ব্যবহৃত হচ্ছে ইসলাম ও মুসলিম প্রসঙ্গে অকথ্য মিথ্যার প্রচার ও পরিচর্যা দেয়ার কাজে। মিথ্যার জোয়ারে ইসলামের মূল শিক্ষাগুলো এতটাই বিলুপ্ত হয়েছে যে, নবীজী (সাঃ)র আমলের পূর্ণাঙ্গ ইসলাম ৫৭টি মুসলিম দেশের কোথাও বেঁচে নাই। মুসলিমগণ বেঁচে আছে এক বিকৃত ও অপূর্ণাঙ্গ ইসলাম নিয়ে যাতে শরিয়ত, হুদুদ, কেসাস, খেলাফত, মুসলমি ঐক্য ও শুরার ন্যায় মহান আল্লাহতায়ালা কর্তৃক  ফরজকৃত বিধানের কোন স্থান নেই। মিথ্যার স্রোতে ভাসার কারণে এমন কি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও  ডিগ্রিধারীগণও ভূল করে ইসলামের মূল এজেন্ডা ও মানব জাতির কল্যাণে মুসলিমদের শ্রেষ্ঠ অবদানগুলো বুঝতে। তাদের কাছে ইসলামের শ্রেষ্ঠ অবদান গণ্য হয় মুসলিম স্থাপত্য, অংক শাস্ত্র, ভূগোল শাস্ত্র, এ্যালজ্যাবরা, জ্যামিতিক শাস্ত্র, রসায়ন বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সিভিল ইঞ্জিনীয়ারিং, ও জ্যোতিষ শাস্ত্রের ন্যায় নানা শাখায় অবদান। শ্রেষ্ঠ কর্ম গণ্য হয়, তাজমহল, আলহামরার ন্যায় অসংখ্য প্রাসাদ, দুর্গ ও মসজিদগুলি। অথচ মুসলিমদের মূল অবদানের কাছে এ অবদানগুলি অতি তুচ্ছ মাত্র।

Read more...
 
অশিক্ষা ও কুশিক্ষার নাশকতা (পঞ্চম পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 15 April 2018 09:48

শুরুটি শিক্ষাঙ্গণে

মানুষ কেন পানাহার করে –তা নিয়ে কারো দ্বিমত নেই। এর গুরুত্ব বুঝার জন্য কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নেয়ার প্রয়োজন নেই; নিরক্ষরগণও সেটি বুঝে। এমন কি পশুও বুঝে। কারণ পানাহারের সাথে বাঁচা-মরার সম্পর্ক। কিন্তু কেন পড়বো, কেন শিখবো, কি শিখবো এবং কতটা শিখবো -তা নিয়ে বিভেদ প্রচুর। কারণ, জ্ঞানার্জনের এ বিষয়টি সম্পৃক্ত বাঁচার সাথে নয়, বরং ‘কেন বাঁচবো’ এবং ‘কীরূপে বাঁচবো’ সে বিষয়টির সাথে। ‘কেন বাঁচবো’ এবং ‘কীরূপে বাঁচবো’ -সে বিষয়ে সবার ধারণা যেহেতু এক নয়, ফলে ভিন্নতা আসে শিক্ষার উদ্দেশ্য ও বিষয় নিয়ে। আমরা সবাই একই উদ্দেশ্যে পানাহার করি বটে; কিন্তু সবাই একই উদ্দেশ্যে ও একই ভাবে বাঁচি না। বাঁচার উদ্দেশ্য ও ধরণ জনে জনে ভিন্ন হওয়ার কারণে জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যটিও ভিন্নতর হয়। ঈমানদার ও সেক্যুলারিস্টদের মাঝে শিক্ষা নিয়ে বিরোধটি এজন্যই অতি বিশাল। সেক্যুলারিস্টদের শিক্ষানীতিতে যেমন ঈমান বাঁচেনা, তেমনি ঈমানদারদের শিক্ষানীতিতে পুষ্টি পায় না সেক্যুলারিস্টদের চেতনা। তাই উভয়ের বাঁচা-মরার লড়াইটি স্রেফ রাজনীতির অঙ্গণে সীমিত নয়, তার চেয়েও গুরুতর ও চুড়ান্ত লড়াইটি হয় শিক্ষাঙ্গণে। শিক্ষাঙ্গণের লড়াইয়ে পরাজিত হলে অনিবার্য হয় রাজনৈতীক পরাজয়। এজন্যই বাংলাদেশসহ সকল মুসলিম দেশের সেক্যুলিরস্টগণ শিক্ষাঙ্গণের উপর থেকে তাদের দখলদারি ছাড়তে রাজি নয়। তারা নানা দলে বিভক্ত হলেও শিক্ষাঙ্গণে কোরআন-হাদীসের পাঠদান বন্ধে তাদের অটুট কোয়ালিশনটি আন্তর্জাতিক কাফের শক্তির সাথে।

Last Updated on Sunday, 15 April 2018 09:56
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 1 of 44
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.